Sunday, March 23, 2025

7 Years at PriyoShop: A Journey of Growth, Gratitude & Purpose

 

MD Shakil, Manager - Brand Partnership at PriyoShop, celebrating 7 years of service with a smile, standing confidently in front of the PriyoShop logo.

7 Years at PriyoShop: A Journey of Growth, Gratitude & Purpose

Time truly flies when you’re doing work that matters.

Today marks 7 incredible years since I began my journey with PriyoShop, and as I reflect on this milestone, I am filled with a deep sense of gratitude, growth, and purpose.

When I first joined, PriyoShop was not just a company—it was a bold idea fueled by passion and purpose. Over the years, I’ve had the privilege to witness that idea evolve into a mission-driven force, transforming the way micro-retailers in Bangladesh access supply, credit, and growth opportunities. And being a part of that transformation has been nothing short of inspiring.

What These 7 Years Taught Me

Every day at PriyoShop has been a learning curve, whether it was through launching new projects, navigating challenges, or collaborating with brilliant minds across the organization. I’ve grown not just professionally, but also as a human being, learning the true value of resilience, teamwork, and customer obsession.

I’m especially thankful to:

  • My Mentors, who guided me with wisdom and vision,

  • My Leaders, whose trust empowered me to take ownership and drive impact, and

  • My Teammates, who turned everyday work into a collaborative, energizing experience.

A Culture That Empowers

One of the reasons I’ve stayed and thrived is that PriyoShop isn’t just about hitting targets, it’s about building a future. Here, innovation isn’t just encouraged, it’s expected. The culture promotes problem-solving, fast execution, and celebrating even the smallest of wins that serve our mission.

And our mission matters: serving 5 million micro-retailers, uplifting Bangladesh’s $200B informal retail economy, and making sure every shopkeeper has a fair shot at growth. That’s the kind of impact that makes the hard work worth it.

Looking Ahead

While today is a day to celebrate the past, I’m even more excited about the future. There’s still so much more to build, to learn, and to contribute. The journey is far from over—and I’m energized by what lies ahead.

Thank you, Team PriyoShop, for believing in me, supporting me, and walking this path together. Here’s to more milestones, more impact, and more shared success.

Let’s keep building together.


Follow Me on LinkedIn

Monday, November 25, 2024

নিজেকে ভালোবাসার গল্প: Self-Acceptance এর শক্তি


নিজেকে ভালোবাসুন: Self-Acceptance এর যাত্রা

আপনি কি কখনো ভেবেছেন, নিজের প্রতি যত্নশীল হওয়ার চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ আর কী হতে পারে? কিন্তু প্রায়শই আমরা নিজেদের ভুল, দুর্বলতা, বা সীমাবদ্ধতাগুলো নিয়ে এতটাই কঠোর হয়ে যাই যে নিজেকে গ্রহণ করাই কঠিন হয়ে পড়ে।

Self-Acceptance মানে কী?
Self-Acceptance হলো নিজের প্রতি সম্পূর্ণ ভালোবাসা এবং সম্মান বজায় রাখা। এটি এমন একটি প্রক্রিয়া, যেখানে আমরা আমাদের শক্তি ও দুর্বলতাকে সমানভাবে গ্রহণ করি। এটি পারফেকশন নয়, বরং নিজের জন্য সহানুভূতিশীল হওয়া।

কেন Self-Acceptance জরুরি?

  • এটি আমাদের মানসিক চাপ কমায়।
  • নিজের ভুল থেকে শেখার ক্ষমতা বাড়ায়।
  • সম্পর্কগুলিকে আরো সুস্থ ও স্থিতিশীল করে।
  • আত্মবিশ্বাস ও সুখানুভূতি বাড়ায়।

Self-Acceptance কীভাবে চর্চা করবেন?

  1. নিজের প্রতি দয়া দেখান: ভুল করা মানে আপনি ব্যর্থ নন, আপনি মানুষ।
  2. নেতিবাচক চিন্তাকে চ্যালেঞ্জ করুন: নিজেকে ছোট করে দেখা বন্ধ করুন।
  3. নিজের সফলতাগুলো উদযাপন করুন: ছোট ছোট অর্জনকেও গুরুত্ব দিন।
  4. তুলনা এড়িয়ে চলুন: আপনার যাত্রা আপনার, অন্যের সঙ্গে তুলনা করবেন না।
  5. নিজের জন্য সময় দিন: এমন কিছু করুন যা আপনাকে আনন্দ দেয়।

মনে রাখবেন, আপনি যেমনই হোন, আপনার একটি অনন্য গুণাবলি রয়েছে। Self-Acceptance এর যাত্রা শুরু করতে দেরি করবেন না। নিজেকে গ্রহণ করুন, নিজের প্রতি সদয় থাকুন, এবং দেখবেন জীবন আরও সুন্দর হয়ে উঠবে।

"আপনার গল্প আপনিই লিখুন, কারণ সেটিই আপনাকে আলাদা করে তোলে।"

Tuesday, October 15, 2024

অযৌক্তিক বিচার: তাড়াহুড়ো করে মন্তব্য করার নেতিবাচক প্রভাব


যৌক্তিক বিশ্লেষণ ছাড়াই মন্তব্য করা বা কাউকে বিচার করা প্রায়শই "জাজমেন্টাল" হওয়ার সাথে সম্পর্কিত। এটি এমন একটি আচরণ যেখানে মানুষ কোনো ঘটনা, ব্যক্তি বা পরিস্থিতি সম্পর্কে দ্রুত মন্তব্য করে, যা প্রায়ই তথ্য, প্রেক্ষাপট বা বিশ্লেষণের অভাবে ঘটে।

জাজমেন্টাল হওয়া আসলে কি?:

১. তথ্যের অভাব:  মানুষ পুরো প্রেক্ষাপট না বুঝেই কোনো কিছুতে মন্তব্য করে। যেমন, কাউকে শুধু তার বাহ্যিক আচরণ বা পোশাক দেখে বিচার করা।

২. তাড়াহুড়ো করে সিদ্ধান্ত: একজন জাজমেন্টাল ব্যক্তি খুব তাড়াতাড়ি মন্তব্য করতে বা মতামত দিতে ভালোবাসে, যা প্রায়শই কোনো প্রকৃত জ্ঞান বা বিশ্লেষণের ভিত্তিতে হয় না।

৩. নেতিবাচক মনোভাব: বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই জাজমেন্টাল মন্তব্য নেতিবাচক হয়। এটি অন্যকে ছোট করতে বা তাদের দুর্বলতাগুলোর ওপর মনোযোগ দিতে ব্যবহৃত হয়।

এটি ভালো না খারাপ?

এটি সাধারণত খারাপ বলে বিবেচিত হয় কারণ:

১. সম্পর্ক নষ্ট হতে পারে: জাজমেন্টাল হওয়া মানুষের সাথে ভুল বোঝাবুঝি এবং দূরত্ব সৃষ্টি করতে পারে। মানুষ অপ্রত্যাশিতভাবে সমালোচনামূলক মন্তব্য গ্রহণ করলে সম্পর্ক ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।

২. আত্মবিশ্বাসে আঘাত: যদি কোনো ব্যক্তিকে কোনো প্রসঙ্গ না বুঝে বা ঠিকমত না জানিয়ে সমালোচনা করা হয়, তাহলে তাদের আত্মবিশ্বাসে আঘাত লাগতে পারে।

৩. আলোচনা বা বোঝার সুযোগ কমায়:

তাড়াহুড়ো করে মন্তব্য করা মানে আপনি পুরো গল্পটি শোনার সুযোগ নেননি। এটি বোঝার অভাব এবং ব্যক্তিগত বা পেশাগত ক্ষেত্রে ভুল সিদ্ধান্তের কারণ হতে পারে।

কখন এটি উপকারী হতে পারে?

বেশিরভাগ সময় জাজমেন্টাল হওয়া নেতিবাচক হলেও কিছু ক্ষেত্রে এটি ভালোও হতে পারে। উদাহরণস্বরূপ, যদি কেউ কোনো গুরুতর পরিস্থিতিতে দ্রুত সিদ্ধান্ত নিতে চায় যেখানে সময়ের অভাব, তখন তাৎক্ষণিক মন্তব্য বা বিশ্লেষণ করতে হতে পারে। তবে, এটি নিশ্চিত করতে হবে যে সিদ্ধান্তটি যথাসম্ভব যুক্তিযুক্ত।


শেষকথাঃ

যৌক্তিক এবং বিবেচনাপ্রসূত না হয়ে দ্রুত মন্তব্য করা বা বিচার করা বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই ক্ষতিকর। এটি ব্যক্তিগত সম্পর্কের জন্য হুমকি সৃষ্টি করতে পারে এবং সমস্যাগুলো আরও জটিল করতে পারে। একজনকে বিচার করার আগে সম্পূর্ণ প্রেক্ষাপট বোঝা এবং তথ্য সংগ্রহ করা উচিত, যাতে মন্তব্য বা সিদ্ধান্তটি যুক্তিযুক্ত ও সঠিক হয়।

Tuesday, July 2, 2024

অমিমাংসিত সমীকরণ... | Shakil Ahmed

শুধু একটি দুটি নয়, অসংখ্য রাত্রি নেমেছে শহরের বুকে, কোটি প্রানে বেঁচে থাকার গান বেজে চলেছে নিয়মিত। একটা আকাশ আপন হয়ে উঠে ধীরে ধীরে। একাকীত্বের চাদরে মোড়ানো কোলাহল। 
একেকটি ভোর আসে, বৃষ্টি ভেজা কাশফুলের মতো পবিত্র হয়ে। সকল সতেজ অনুভুতির মৃত্যু হয় দুপুরের প্রখর রোদে। 

এসব অনুভুতি আর প্রেমের প্রত্যাখান ছেড়ে আমি নৌকাডুবির গল্প শুনি, জাহাজের ছাদে দাঁড়িয়ে আকাশ ছুয়ে দেখি। মেঘেদের শহরে হেটে বেড়াই স্বপ্নের মতো। আমার স্বপ্নের মৃত্যু হয় পাখির মতো, পোকামাকড়ের মতো, মাকড়সার জালের মতো অনিশ্চিয়তায় ভরে উঠে সব। বর্ষার জলের মতো থৈথৈ করতে থাকা ভাবনারা পথ হারায়। নদী, খাল, বিল পেরিয়ে ঘরের উঠোনের ছোট্ট ডোবায় গিয়ে ঠাই মিলে। মশামাছির জন্মস্থানে পরিনত হয়। পরিবেশের ক্ষতি না হলেও, ক্ষতি হয় জনজীবনে। অপ্রয়োজনীয় ক্ষতিকর হয়ে উঠি মানুষের জীবনে। 

তবু আমি থেমে থাকিনা, শীতের কুয়াশার সকাল উপেক্ষা করে রাস্তায় নামি। সাবধানে চলতে থাকি কঠিন পথ। অন্ধকারে জন্ম নেয়া ভয়ের সাথে যুদ্ধ করি, একটা আলোকিত ল্যাম্পপোস্টের আশায়। 
আমি মানুষের সাথে থাকি, তবুও বাতাসের মতো অস্পষ্ট হয়ে উঠে আমার অবয়ব। আমি নিজেকেই আবিস্কার করতে পারিনা কখনো কখনো।

ঝড়ের মতো প্রলয়ংকরী হয়ে উঠে দীর্ঘশ্বাস; মানুষের মাঝে বেঁচে থেকেও মানুষের মতো হয়ে উঠতে পারিনি বলেই আমার দীর্ঘ জীবনের অপূর্ণতার দীর্ঘশ্বাস আরোও দীর্ঘ হয়! 

আমার গল্পের কোনো শিরোনাম থাকেনা, কোনো চুম্বক শব্দ থাকেনা, কোনো বাক্য নেই সুচিন্তিত। তবু এ গল্প হয়ে উঠে নিশ্চুপ এক মহা সমুদ্র। যার উত্তাল ঢেউ কখনো কারো চোখেই পড়েনা। কোনো নাবিক পথ হারায়না। কোনো জাহাজ তার গতিসীমায় পরিবর্তন আনেনা। কিংবা এ মহাসমুদ্রের জলরাশি কখনো কারো জন্য বিপদজনক হয়ে ধরা পড়েনি। এ এক অকল্পনীয় অধরা অমিমাংসিত সমীরণ হয়ে পড়ে থাকে ধুলো জমা বইয়ের বায়ান্নতম পৃষ্ঠায়। 
এ শহর চলতে থাকে নিয়মিত নিজস্ব নিয়মেই, জন্ম দিয়ে সহস্র প্রানের হাজারো অমিমাংসিত সমীকরণের... 


🖋️শাকিল আহমেদ
🗓️ ০২ জুলাই ২০২৪

Celebrating 6 Incredible Years at PriyoShop

I’m truly grateful to celebrate my 6th work anniversary at PriyoShop.com Limited — a journey filled with growth, learning, and meaningful connections.

Over the past six years, I’ve had the privilege of working alongside some of the most talented, dedicated, and inspiring individuals in the industry. Their teamwork, creativity, and commitment to excellence have made every challenge worthwhile and every success even more rewarding.

I want to express my sincere gratitude to the PriyoShop management team for creating a culture that values growth, innovation, and collaboration. A special note of thanks to Asikul Alam Khan Sir — your leadership and vision have shaped not just the company’s success but also the values we live by every day.

Looking back, I’m proud to have contributed to PriyoShop’s mission of building a B2B ecosystem that connects MSMEs with manufacturers and helps small businesses thrive across Bangladesh. It’s been an incredible experience to be part of something that’s making a real impact in the retail and distribution landscape.

As I celebrate this milestone, I feel a deep sense of appreciation for the opportunities, mentorship, and trust I’ve received throughout my journey. I’m excited to continue growing with PriyoShop, working together to create a sustainable ecosystem that empowers MSMEs and drives positive change.

Thank you to everyone who has been part of this journey — colleagues, mentors, partners, and friends. Your support means everything. Here’s to many more years of teamwork, innovation, and success ahead!

#PriyoShop #WorkAnniversary #B2BMarketplace #MSME #Teamwork #Bangladesh #Growth #Gratitude

Thursday, April 27, 2023

“যেই ভালোবাসার জন্য মানুষ অবহেলা সহ্য করে, সেই অবহেলার জন্যই মানুষ ভালোবাসা ত্যাগ করে”

 

Love life

“যেই ভালোবাসার জন্য মানুষ অবহেলা সহ্য করে, সেই অবহেলার জন্যই মানুষ ভালোবাসা ত্যাগ করে” 

ভালোবাসার জন্য মানুষ প্রচন্ডরকম অবহেলা পেয়েও তার ভালোবাসার মানুষটির কাছে থাকতে শুরু করে। শুধুমাত্র এটুকু আশা নিয়ে, একদিন তার ভালোবাসা সব অবহেলা আকাশে উড়িয়ে দিবে। সুন্দর হবে প্রতিটি সকাল। প্রত্যাশায় ভরে উঠ ঘরখানি। জীবনের সব না পাওয়া উপেক্ষা করে ভালোবাসার মানুষের মুখের হাসিতে থমকে যাবে সমস্ত দীর্ঘশ্বাস। স্বপ্নের মতো হবে সবকিছু।

কিন্তু প্রকৃতির নিয়মে পরিবর্তিত হওয়া স্বভাবে আবহাওয়ার মতো ঋতুর পরিবর্তন ঘটতে থাকে মানুষের মনেও। একদিন কনকনে শীতের রাতে কিংবা চৈত্রের খড়ায় দুপুরের রোদের তাপে দাঁড়িয়ে মনে হতে থাকে এত অবহেলা কেনো সহ্য করছি!! ভালোবাসা আমাকে কী দিয়েছে!  

যে ভালোবাসার জন্য এত অবহেলা সহ্য করে অতিবাহিত করেছে অনেকগুলো বছর, হঠাত করেই সেই অবহেলার সমস্ত কল্প চিত্র এক নিমিষেই মনের মধ্যে ভেসে উঠে সিনেমার সিকুয়েন্সের মতো। একটার পর একটা দৃশ্য আসতে থাকে এবং মনে করিয়ে দিতে থাকে, কি সে করেছে এতদিনে।

একটা সময় পরে সেই অবহেলার কারণে মানুষ ভালোবাসা ভুলতে শুরু করে। দুরত্বের লাগাম টেনে আর কাছাকাছি নিয়ে আসা যায়না। স্রোতের মতো কেবল ধাবিত হতে থাকে অন্যমুখী হয়ে। পৃথিবীতে সব সম্ভব, অনাকাঙ্খিত অনেক কিছুই ঘটে। ভালোবাসা সুন্দর হোক সমস্ত কিছুর বাইরে গিয়ে।  

- শাকিল আহমেদ রেদওয়ান

- April 12, 2023

Wednesday, April 26, 2023

তুমি ভুলে যাবার অনুমতি চাইলে, আমি চুপ করে রইলাম

 

তুমি ভুলে যাবার অনুমতি চাইলে, আমি চুপ করে রইলাম। তুমি অনুমতি না পেয়ে হতাশ হয়ে ফিরে গেলে। তোমার চলে যাওয়া দেখতে দেখতে সন্ধ্যা নেমেছিলো। তুমি চলে যাবার পরেই মেঘ করেছিলো আকাশে। সন্ধ্যা নামতেই আকাশ ভেঙে বৃষ্টি শুরু হলো। ঝুম বৃষ্টি। অঝোড় ধারায় বৃষ্টি শেষে হঠাত করেই থেমে গেলো পুরো শহর। নিস্তব্দ হয়ে গেলো এক নিমিশেই। আমি হাতের সিগারেট শেষ করে ক্ষুদা নিয়েই ঘুমাতে গেলাম। ঘুম হয়নি সে রাতে। শুধু বারবার ভেসে উঠেছিলো তোমার কাজল কালো আঁখি দুটো। কি মায়াবী চোখ। অথচ আজকে তুমি চোখ মুখ শক্ত করে ভুলে যাবার অনুমতি চাইছো! আসলে কাউকে ভুলে যাবার জন্য এভাবে অনুমতি চাওয়াটা আমার কাছে নতুন লেগেছিলো। জানিনা এর আগে কেউ কারো কাছে চেয়েছিলো কিনা! 

এরপর কেটে গেলো অনেকট সময়। আমি সে শহর ছেড়ে চলে গেলাম অন্য শহরে। আমাদের যোগাযোগ নেই বহুদিন, প্রায় ১৭ বছর হতে চললো। নিজের সকল পরিচয় গোপন করে বাঁচতে লাগলাম যাযাবরের মতো। তুমি চিঠি লিখেছিলে এর মাঝে। আমার ঠিকানায় চিঠি পৌছেছিলো ঠিকঠাক। কিন্তু কোনো উত্তর পাওনি। কারণ সে চিঠিগুলো আমার হাতে পৌছায়নি। আর আমার হাতে এলেও, উত্তর পেতে না। একবারের জন্যও আমার কখনো জানতে ইচ্ছে হয়নি তুমি কেমন আছো। কি করছো, বা কোথায় আছো! আমার এসব কোনোকিছুই জানার আগ্রহ জন্মায়নি। যাযাবরের জীবনকে এত আপন লাগতেছিলো। কিন্তু হঠাত করেই বুকের ব্যথাটা বেড়ে গিয়েছে বেশ কিছুদিন হলো। 

তুমি ভুলে যাবার অনুমতি কেনো চেয়েছিলে ? তা তো বলে গেলেনা! আমি কি তোমাকে অনুমতি দেইনি বলে ভুলতে পারো নি? আসলে কি সহজে কাউকে ভুলে থাকা যায়? পেরেছো কী! 

বলেছিলাম বুকের ব্যথাটা বেড়েছে। এর আগে গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা বলেছিলো কবিরাজ। ওষুদপত্র দিয়েছিলো কিছু। ঠিকঠাক ওষুদ খেতেও আমার সহ্য হয়না। 

আজ এখানে আবার বৃষ্টি নেমেছে বহুদিন পরে। এই শহরের মানুষগুলো বড্ড ব্যস্ততায় সময় পার করে। কেউ কাউকে দেখার সুযোগ নেই। দোতলা বাড়ির ছাঁদে বসে আছি। শ্যাওলা জমে একাকার। বাড়িতে কেউ থাকেনা আজকাল। ভদ্র লোকের দুই ছেলেই লন্ডনে থাকে। এক মেয়ে, জামাই সহ আমেরিকায় থাকে। একজন কেয়ারটেকার বাড়ির পাহারা দেয়। নিজের অন্য একটা বাড়িতে স্বামী স্ত্রী দুজনে থাকে। দোতলা বাড়িতে চারটে রুম সম্ভবত আছে। আমি একটা রুমে থাকি। বিদ্যুতের সমস্যা হয় প্রায়ই। পানির সমস্যা খুব একটা হয়না। তবে যেটুকু হয় তাতে মানিয়ে নেয়া যায়। ভাড়া তুলনামূলক কম দিয়েই চলতে পারি।

কিছুদিন হলো মনেহচ্ছে আলোবাতাস ছেড়ে চলে যেতে হবে অন্ধকারে। খুব একা লাগছে নিজেকে। শক্তিহীন হয়ে পড়ছি দিন দিন। কোনো কাজেই আর মন বসছে না। 

ভালোবেসেছিলে কি আমাকে? জীবনে ভালোবাসা ছেড়ে যাওয়ার অসহায়ত্ব কি ভয়ংকরভাবে মানুষকে স্তব্দ করে দিতে পারে। আজকে সম্ভবত কিছুটা উপলব্ধি করতে পারছি। আমি তোমাকে ভালোবেসেছিলাম। ক্ষমা করো আমাকে। ভালোবাসলে ধরেও রাখতে হয়। পারিনি হয়তো। এই অপরাধবোধ আমাকে শেষমেশ শেষ করেই দিবে। অন্ধকার বেড়েই চলছে। আজকের আকাশে কি চাঁদ নেই? 

#ভালোবাসারঅনুভূতি 

লিখাঃ শাকিল আহমেদ রেদওয়ান

২৫ এপ্রিল ২০২৩